কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার কতটা সফল হচ্ছে দেশে

LinkedIn
Twitter
Facebook
Telegram
WhatsApp
Email

একসময় গ্রামবাংলার খুব চেনা একটি দৃশ্য ছিল কাকডাকা ভোরে কৃষকের কাঁধে লাঙল-জোয়াল আর জোড়া বলদ নিয়ে মাঠে যাওয়া। কৃষকের ভাটিয়ালি গানে মুখরিত থাকত ফসলের মাঠ। কিন্তু আজ যদি আপনি গ্রামের দিকে যান, সেই দৃশ্য খুব একটা চোখে পড়বে না। লাঙলের জায়গা দখল করেছে পাওয়ার টিলার বা ট্রাক্টর, আর কৃষকের গানের বদলে শোনা যায় ইঞ্জিন চালিত সেচ পাম্প বা কম্বাইন হারভেস্টারের বিকট শব্দ। সময়ের সাথে সাথে আমাদের দেশের কৃষিতে এক বিশাল ও নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে, যার মূল কারিগর হলো ‘আধুনিক প্রযুক্তি’।

বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ, আর আমাদের অর্থনীতির মূল মেরুদণ্ডই হলো এই কৃষি। কিন্তু জনসংখ্যা যে হারে বাড়ছে, সেই অনুপাতে আবাদি জমি তো বাড়ছেই না, বরং বাড়িঘর আর কলকারখানা তৈরির কারণে দিন দিন তা কমছে। এই কম জমি থেকে বিশাল জনগোষ্ঠীর মুখের খাবার জোগাড় করা কোনো জাদুর চেয়ে কম নয়। আর এই জাদুটি সম্ভব হয়েছে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে। কিন্তু খবরের কাগজ বা টেলিভিশনের পর্দায় আমরা প্রযুক্তির যতটা সফলতার গল্প শুনি, মাঠপর্যায়ের সাধারণ কৃষকদের কাছে তা কি আসলেই ততটা সফল? বর্তমান বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে কৃষিতে এই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে, এর পেছনের চ্যালেঞ্জগুলো কী এবং সত্যিকারের সফলতা পেতে আমাদের আরও কী করা প্রয়োজন—তা নিয়ে আজ একটি বস্তুনিষ্ঠ ও সহজবোধ্য বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত জরুরি।

ADVERTISEMENT
3rd party Ad. Not an offer or recommendation by hardwareanalytic.com.

কৃষিতে প্রযুক্তির বর্তমান অবস্থা ও দৃশ্যমান সাফল্য

কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বলতে শুধু ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ বোঝায় না। বীজতলা তৈরি থেকে শুরু করে ফসল ঘরে তোলা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে এখন প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে। দেশে প্রযুক্তির এই ব্যবহার বেশ কিছু ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য এনে দিয়েছে।

যান্ত্রিকীকরণের বিপ্লব: ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলার

আজ থেকে দুই-তিন দশক আগেও জমি চাষ করা ছিল চরম কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এক বিঘা জমি গরুর লাঙল দিয়ে চাষ করতে কয়েক দিন সময় লেগে যেত। কিন্তু বর্তমানে দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ জমি চাষ হচ্ছে ট্রাক্টর ও পাওয়ার টিলারের মাধ্যমে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশাল এক খণ্ড জমি চাষ করে বীজ বোনার উপযোগী করা যাচ্ছে। এর ফলে কৃষকের শারীরিক পরিশ্রম যেমন কমেছে, তেমনি সময়ের বিরাট সাশ্রয় হয়েছে। একটি ফসল কাটার পর দ্রুত জমি প্রস্তুত করে আরেকটি ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে, যা ফসলের নিবিড়তা বাড়িয়েছে।

ADVERTISEMENT
3rd party Ad. Not an offer or recommendation by hardwareanalytic.com.

কম্বাইন হারভেস্টার ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টার

সাম্প্রতিক সময়ে কৃষিতে সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে এসেছে ‘কম্বাইন হারভেস্টার’ (ফসল কাটার যন্ত্র) এবং ‘রাইস ট্রান্সপ্লান্টার’ (চারা রোপণের যন্ত্র)। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে যখন আগাম বন্যার পানিতে পাকা ধান তলিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে, তখন এই কম্বাইন হারভেস্টার কৃষকের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে। এই যন্ত্রটি একই সাথে ধান কাটে, মাড়াই করে এবং বস্তায় ভরে দেয়। যেখানে এক একর জমির ধান কাটতে ২০ জন শ্রমিকের কয়েক দিন লেগে যেত, সেখানে এই যন্ত্র মাত্র এক ঘণ্টায় তা সম্পন্ন করছে। ফসল ঘরে তোলার এই আধুনিক প্রযুক্তি আমাদের খাদ্য সুরক্ষায় বিশাল ভূমিকা রাখছে।

ডিজিটাল কৃষি ও মোবাইল অ্যাপের ব্যবহার

প্রযুক্তির ছোঁয়া শুধু যন্ত্রপাতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি এখন কৃষকের হাতের স্মার্টফোন পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। ‘কৃষি বাতায়ন’, ‘কৃষকের জানালা’ বা বিভিন্ন কৃষি কল সেন্টারের (১৬১২৩) মাধ্যমে কৃষকরা এখন ঘরে বসেই কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ পাচ্ছেন। ফসলের পাতায় কোনো রোগ দেখা দিলে তার ছবি তুলে অ্যাপের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিলে বিশেষজ্ঞরা মুহূর্তেই ওষুধের নাম বলে দিচ্ছেন। আবহাওয়ার পূর্বাভাস জেনে কৃষক আগেভাগেই সতর্ক হতে পারছেন। তথ্যপ্রযুক্তির এই ব্যবহার কৃষকদের অনেক ক্ষতি থেকে বাঁচিয়ে দিচ্ছে।

উন্নত জাতের বীজ ও জিনপ্রযুক্তি

কৃষিতে আরেক বড় প্রযুক্তির নাম হলো জিনপ্রযুক্তি বা বায়োটেকনোলজি। আমাদের দেশের কৃষিবিজ্ঞানীরা গবেষণা করে খরা, বন্যা ও লবণাক্ততা সহনশীল ধানের জাত (যেমন- ব্রি ধান) উদ্ভাবন করেছেন। এছাড়া বিটি বেগুনের মতো জিনগতভাবে পরিবর্তিত (GMO) ফসলের কারণে কৃষকদের এখন আর পোকা দমনের জন্য লিটার লিটার বিষ স্প্রে করতে হয় না। উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের কারণে ফলন আগের চেয়ে তিন-চার গুণ বেড়ে গেছে।

ADVERTISEMENT
3rd party Ad. Not an offer or recommendation by dailyalo.com.

প্রযুক্তি ব্যবহারে সফলতার পেছনের কারণ

এই যে প্রযুক্তিগুলো আমাদের কৃষিতে এতটা জায়গা করে নিল, এর পেছনে কিছু বাস্তবসম্মত কারণ রয়েছে।

চরম শ্রমিক সংকট মোকাবিলা

বর্তমানে গ্রামের তরুণ প্রজন্ম আর রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে কৃষিকাজ করতে চায় না। তারা শহরে গিয়ে চাকরি বা ব্যবসা করতে বেশি আগ্রহী, অথবা প্রবাসে পাড়ি জমাচ্ছে। ফলে ধান রোপণ বা কাটার মৌসুমে গ্রামে চরম শ্রমিক সংকট দেখা দেয়। শ্রমিকের মজুরি এত বেশি থাকে যে, কৃষকের লাভের গুড় পিঁপড়ায় খেয়ে নেয়। এই শ্রমিক সংকট মোকাবিলা করার জন্যই মূলত কৃষকরা বাধ্য হয়ে যন্ত্রের দিকে ঝুঁকেছেন।

সরকারি প্রণোদনা ও ভর্তুকি

কৃষিতে প্রযুক্তির প্রসারে সরকারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। একটি কম্বাইন হারভেস্টারের দাম প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা, যা সাধারণ কৃষকের পক্ষে কেনা অসম্ভব। কিন্তু সরকার হাওর ও উপকূলীয় এলাকায় যন্ত্র কেনার ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দিচ্ছে। এই বিশাল ছাড়ের কারণেই মূলত আধুনিক যন্ত্রপাতিগুলো গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছাতে পেরেছে।

ADVERTISEMENT
3rd party Ad. Not an offer or recommendation by dailyalo.com.

বাস্তবতার উল্টোপিঠ: চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা

উপরের আলোচনা থেকে মনে হতে পারে, আমাদের কৃষিতে প্রযুক্তি শতভাগ সফল। কিন্তু মুদ্রার উল্টোপিঠের গল্পটা একটু ভিন্ন। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতায় প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বড় বাধা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যা এই সফলতাকে কিছুটা ম্লান করে দেয়।

জমির খণ্ডায়ন ও সীমানা আল

আমাদের দেশে পৈতৃক সম্পত্তি ভাগ হতে হতে জমির আকার অত্যন্ত ছোট হয়ে গেছে। ছোট ছোট এক টুকরো জমির চারপাশে উঁচু করে মাটির ‘আল’ বা সীমানা দেওয়া থাকে। বিশাল আকৃতির একটি ট্রাক্টর বা কম্বাইন হারভেস্টার যখন মাঠে নামে, তখন এই ছোট জমিগুলোতে যন্ত্রটি ঘোরানো বা কাজ করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। এক জমি থেকে আরেক জমিতে যাওয়ার সময় অনেক সময় অন্যের ফসল নষ্ট হয়। জমির এই খণ্ডায়নের কারণে ভারী যন্ত্রপাতির শতভাগ সুফল পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিক অক্ষমতা

সরকার ৫০ শতাংশ ভর্তুকি দিলেও একটি যন্ত্র কেনার জন্য বাকি যে ১৫-২০ লাখ টাকা দরকার, তা দেশের বেশিরভাগ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের কাছে নেই। ব্যাংক থেকেও তারা সহজে এত বড় অঙ্কের ঋণ পান না। ফলে দেখা যায়, গ্রামের কিছু ধনী ব্যক্তি বা ব্যবসায়ী এই যন্ত্রগুলো কেনেন এবং সাধারণ কৃষকদের কাছে তা ভাড়ায় খাটান। অনেক সময় ভরা মৌসুমে যন্ত্রের ভাড়াও এত বেশি থাকে যে, সাধারণ কৃষকদের জন্য তা বহন করা কষ্টকর হয়ে যায়।

প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও ডিজিটাল ডিভাইড

আধুনিক যন্ত্রপাতি বা স্মার্টফোনের কৃষি অ্যাপগুলো চালানোর জন্য যে ন্যূনতম শিক্ষা বা প্রযুক্তিগত জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, আমাদের বেশিরভাগ বয়স্ক কৃষকের তা নেই। তারা এখনও ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। স্মার্টফোন থাকলেও ডেটা প্যাকের দাম এবং নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে গ্রামের অনেক কৃষক ডিজিটাল কৃষির সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

রক্ষণাবেক্ষণ ও দক্ষ মেকানিকের অভাব

মাঠে কাজ করতে করতে যদি একটি ট্রাক্টর বা হারভেস্টার নষ্ট হয়ে যায়, তবে তা মেরামত করার মতো দক্ষ মেকানিক গ্রামে সহজে পাওয়া যায় না। শহরের ওয়ার্কশপ থেকে মেকানিক আনতে বা যন্ত্রাংশ (Spare parts) কিনতে অনেক সময় ও টাকা নষ্ট হয়। ভরা মৌসুমে কয়েক দিন যন্ত্র পড়ে থাকা মানে কৃষকের বিশাল ক্ষতি। এই রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের অন্যতম বড় একটি বাধা।

প্রযুক্তিকে শতভাগ সফল করতে আমাদের করণীয়

বর্তমান বাস্তবতায় কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু এর সুফল যদি দেশের প্রতিটি প্রান্তিক কৃষকের ঘরে পৌঁছাতে হয়, তবে আমাদের কিছু কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

সমবায় ভিত্তিক চাষাবাদ ও যান্ত্রিকীকরণ

জমির খণ্ডায়ন সমস্যার সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো ‘সমবায় ভিত্তিক চাষাবাদ’ বা সমলয় পদ্ধতি। অর্থাৎ, একটি মাঠের সব কৃষক মিলে তাদের জমির সীমানা আল সাময়িকভাবে তুলে দিয়ে বিশাল এক খণ্ড জমিতে পরিণত করবেন। সেখানে একই সাথে যন্ত্রের সাহায্যে বীজ বোনা হবে এবং একই সাথে ফসল কাটা হবে। ফসল ওঠার পর সবাই জমির পরিমাণ অনুযায়ী ফসল ভাগ করে নেবেন। এই পদ্ধতি চালু করা গেলে আধুনিক যন্ত্রপাতির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব।

কাস্টম হায়ারিং সেন্টার ও সহজ ঋণ

প্রতিটি ইউনিয়নে বা গ্রামে সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে ‘কাস্টম হায়ারিং সেন্টার’ (Custom Hiring Center) গড়ে তুলতে হবে। এখান থেকে সাধারণ কৃষকরা নামমাত্র ভাড়ায় আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। এছাড়া তরুণ উদ্যোক্তা বা কৃষকদের যন্ত্র কেনার জন্য ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে এবং খুব সহজ শর্তে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রশিক্ষণ ও মেকানিক তৈরি

যন্ত্র দেওয়ার পাশাপাশি যন্ত্র চালানোর এবং মেরামতের প্রশিক্ষণ দেওয়া সমান জরুরি। প্রতিটি এলাকায় স্থানীয় যুবকদের মেকানিক হিসেবে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যাতে যেকোনো যন্ত্র নষ্ট হলে দ্রুত মেরামত করা যায়। এতে করে একদিকে যেমন কৃষকের হয়রানি কমবে, অন্যদিকে গ্রামে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ডিজিটাল সেবার বিষয়ে কৃষকদের সচেতন করতে উঠান বৈঠক বা মাঠপর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে।

উপসংহার

পরিশেষে বলা যায়, কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের দেশের জন্য কোনো বিলাসবহুল শখ নয়, বরং এটি একটি জীবন রক্ষাকারী বাস্তবতা। একসময় যে দেশের মানুষ খাদ্যাভাবে ভুগত, সেই দেশ আজ ১৭ কোটি মানুষের মুখের খাবার জুগিয়েও কিছু ক্ষেত্রে উদ্বৃত্ত থাকছে। এই অসাধ্য সাধনের পেছনে মূল অবদান আমাদের পরিশ্রমী কৃষক এবং আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনের।

তবে, “কৃষিতে প্রযুক্তি কতটা সফল?”—এই প্রশ্নের উত্তরে এককথায় ‘শতভাগ সফল’ বলার সময় এখনও আসেনি। ভর্তুকি দিয়ে কিছু ভারী যন্ত্র মাঠে নামানোই শেষ কথা নয়। যতদিন পর্যন্ত জমির খণ্ডায়ন, কৃষকের আর্থিক অক্ষমতা এবং কারিগরি জ্ঞানের অভাব দূর না হবে, ততদিন প্রযুক্তির আসল সুফল সাধারণ কৃষকের দুয়ারে পৌঁছাবে না। সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং সাধারণ কৃষক—সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যদি এই বাধাগুলো দূর করা যায়, তবেই বাংলাদেশের কৃষি সত্যিকার অর্থে একটি আধুনিক, লাভজনক ও বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হবে। সেদিন হয়তো আর খুব বেশি দূরে নয়, যেদিন আমাদের কৃষকরা স্মার্ট প্রযুক্তির সাহায্যে বিশ্বের বুকে এক নতুন কৃষিব বিপ্লবের উদাহরণ তৈরি করবে।


সম্পর্কিত নিবন্ধ